ক) আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্বের দ্বিতীয় স্বীকার্যটি হলো, শূন্য স্থানে বা বায়ু মাধ্যমে আলোর বেগ ধ্রুব এবং এ বেগ আলোর উৎস ও পর্যবেক্ষকের আপেক্ষিক গতিবেগের ওপর নির্ভরশীল নয়।
খ) এক্সরে এক প্রকার তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ। এর কম্পাঙ্ক (υ) উচ্চ। তাই E = hυ সূত্রানুসারে এর শক্তি ও উচ্চমানের। দেহের কোনো অংশে এক্সরে করানো হলে তার যথেষ্ট পাশ্বর্প্রতিক্রিয়া আছে। এটি অনেকটা রেডিওথেরাপির মতো কাজ করে। ফলে বহুসংখ্যক সুস্থকোষ বিনষ্ট করে। পরপর কয়েকবার দেহের একই অঙ্গের এক্সরে করালে ঐ অঙ্গের প্রভূত ক্ষতি হয়, এমনকি তা বিকলাঙ্গ হয়ে যেতে পারে। অল্প কিছুদিনের ব্যবধানে মুখমন্ডলের এক্সরে করানো হলে দাঁত ও চুল পড়ে যেতে পারে। গর্ভাবস্থায় বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া এক্সরে করানো উচিত নয়। প্রতিবার এক্সরেতে নবজাতকের দেহের বেশ কিছু ক্ষতিসাধন হয়। সুতরাং, জরুরী প্রয়োজন ছাড়া আমাদের এক্সরে করা উচিত নয়।
গ) দেওয়া আছে,
আপতিত বিকিরণের কম্পাঙ্ক, υ = 4 × 10¹⁵ Hz
নি:সৃত ইলেকট্রনের সর্বোচ্চ গতিশক্তি, Kmax = 3.6 × 10–¹⁹J
জানা আছে, প্লাংকের ধ্রুবক, h = 6.63 × 10⁻³⁴Js
বের করতে হবে, সূচন কম্পাংক, υo = ?
আমরা জানি, আইনস্টাইনের সমীকরণ হতে,
hυ = hυo + Kmax
বা, hυo= hυ − Kmax
∴ υo = (h − শসধী)/h υ −
= (6.63 × 10⁻³⁴ ঔ.ং × 4 × 10¹⁵ Hz − 3.6 × 10⁻¹⁹J)/(6.63 × 10⁻³⁴ Js) ⁻ × × − × ⁻ × ⁻
= 3.457 × 10¹⁵Hz (Ans.)
ঘ) নতুন ধাতবপাতের সর্বোচ্চ শক্তিসম্পন্ন ইলেকট্রনের শক্তি, Kmax = (3.6 × 10⁻¹⁹J)/2 ⁻ = 1.8 × 10⁻¹⁹J
এক্ষেত্রে, আপতিত বিকিরণের কম্পাঙ্ক, υ = 4 × 10¹⁵ Hz
এবং লাবলুর ধাতুখন্ডটির ক্ষেত্রে সূচন কম্পাঙ্ক υo হলে,
hυ = hυo + Kmax
বা, hυo = hυ − Kmax
∴ υo = (h − কসধী)/h υ − = (6.63 × 10⁻³⁴ × 4 × 10¹⁵ − 1.8 × 10⁻¹⁹)/(6.63 × 10⁻³⁴) ⁻ × × − × ⁻ × ⁻
= 3.73 × 10¹⁵ Hz
যা আপতিত বিকিরণের কম্পাঙ্ক (4 × 10¹⁵Hz) অপেক্ষা কম।
সুতরাং, লাবলুর পরীক্ষায় উক্ত ধাতুখণ্ড থেকে ইলেকট্রন নির্গত হওয়ার কথা। অতএব, তার মতামতের সাথে আমি একমত নই।