ক) RDBMS এর পূর্ণরূপ হলো Relational Database Management System। ডেটাবেসে থাকা একাধিক টেবিলসমূহের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করাকে RDBMS বলে।
খ) SQL বা Structured Query Language হলো রিলেশনাল ডেটাবেস সিস্টেমের সুবিধাসমূহ কার্যকর করা এবং ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে রিলেশনাল মডেল বাস্তবায়ন করার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত একটি ভাষা। SQL এর সাহায্যে ডেটাবেস থেকে কোনো ডেটা রিট্রিভ, আপডেট, ইনসার্ট, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করা সম্ভব। যেহেতু SQL ব্যবহার করে ডেটাবেসের সকল ডেটাকে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন বা প্রদর্শন করা যায়। সেহেতু SQL কে ডেটাবেসের হাতিয়ার বলা হয়।
গ) উদ্দীপকে উল্লেখিত টেবিলদ্বয়ের মধ্যে রিলেশন তৈরি করতে Table-2 এ ID নামক একটি কলাম যুক্ত করতে হবে। ফলে ২নং টেবিলটি হবে নিম্নরূপ-
Sl | ID | Designation | Salary
1 | 1001 | Manager | 40,000
2 | 1002 | Officer | 25,000
3 | 1003 | Accountant | 50,000
Table-2
এখন Table-1 ও Table-2 এর মধ্যে কমন ফিল্ড হলো ID। ফলে এ দুটি কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে টেবিলদ্বয়ের মধ্যে One to One রিলেশন তৈরি করা যাবে। ফলে Table-1 এর প্রতিটি ব্যক্তির জন্য Table-2 এ থাকা Designation ফিল্ড ও Salary ফিল্ড বরাদ্দ হবে। এক্ষেত্রে Table-1 এর একজন ব্যক্তির একটি মাত্র Designation ও Salary ফিল্ড থাকবে।
ঘ) উদ্দীপকে উল্লেখিত 'গ' ব্যক্তির মতামত অনুযায়ী একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল তৈরি করলে কুয়েরির কাজ অনেকটা দ্রুত হবে তবে ডেটা এন্ট্রিতে একটু বেশি সময় নেবে। অর্থাৎ 'গ' ব্যক্তি ইনডেক্স ফাইলের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। উদ্দীপকের 'গ' ব্যক্তি যে প্রেক্ষাপটে ইনডেক্স ফাইল তৈরির কথা বলেছেন সে বিষয়টির সাথে আমি সম্পূর্ণই একমত। কারণ ইনডেক্স হলো ডেটার লজিক্যাল অর্ডার বিন্যাস পদ্ধতি। ইনডেক্স ফাইল মূল ফাইলের কোনোরূপ পরিবর্তন না করে রেকর্ডসমূহকে বিভিন্নভাবে সাজাতে পারে। যেহেতু ডেটাবেসের প্রতিটি রেকর্ডের একটি রো অ্যাড্রেস থাকে। ইনডেক্সিং করার ফলে ডেটাগুলো এই রো অ্যাড্রেস অনুসারে সাজানো থাকে। ফলে কুয়েরির মাধ্যমে অতি দ্রুত কোনো ডেটাকে সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়। তবে ডেটাবেসের কোনো ফিল্ডে ইনডেক্স করার দরুন ঐ ফিল্ডে ডেটা ইনসার্ট করতে সময় বেশি লাগে। কারণ ইনডেক্স করা ফিল্ডে ডেটা ইনসার্ট করলে ইনডেক্স ফাইলটি আপডেট হয়। এ কারণে ডেটা এন্ট্রিতে সময় বেশি লাগে।