যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নামী বিশ্ববিদ্যালয়; HSC দিয়ে সরাসরি ব্যাচেলর। খরচ বেশি, তবে স্কলারশিপ আর মাস্টার্স/PhD-তে ফান্ডিং পাওয়ার সুযোগও বেশি।
✓ শেষ যাচাই: ২ নভেম্বর ২০২৬
কখন যাওয়া যায়
SSC-র পর
না (HSC বা A-level লাগে)
HSC-র পর
হ্যাঁ, সরাসরি ব্যাচেলর
ব্যাচেলরের পর
হ্যাঁ, MS/PhD; অনেকে ফান্ডিং পায়
ব্যাচেলরে যোগ্যতা
নির্দিষ্ট ন্যূনতম GPA নেই। সাধারণত HSC GPA ৪.০-এর বেশি হলে ভালো সুযোগ, নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫.০, ভালো SAT, এক্সট্রা-কারিকুলার আর শক্ত রচনা (essay) লাগে। ইংরেজিতে IELTS ৬.০-৬.৫, TOEFL ৮০+ বা Duolingo ১০৫+।
সাধারণ নিম্নসীমা: HSC GPA ৩.৫/৫ · IELTS ৬
মাস্টার্সে যোগ্যতা
মাস্টার্সে সাধারণত CGPA ৩.০/৪ (অনেক নামী প্রোগ্রামে ৩.৩+), IELTS ৬.৫ বা TOEFL ৮০-১০০। GRE অনেক প্রোগ্রামে এখন ঐচ্ছিক।
সাধারণ নিম্নসীমা: CGPA ৩/৪ · IELTS ৬.৫
খরচ (বছরে)
টিউশন
USD ১৫,০০০-৬০,০০০
আনুমানিক ৳১৯-৭৪ লাখ
প্রাইভেট নন-প্রফিট বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে বছরে প্রায় $৪৫,০০০ (২০২৫-২৬); পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশিদের খরচ কিছুটা কম, কমিউনিটি কলেজে আরও কম।
থাকা-খাওয়া
USD ১২,০০০-২০,০০০
আনুমানিক ৳১৫-২৫ লাখ
শহর অনুযায়ী অনেক আলাদা। বিশ্ববিদ্যালয়ের I-20 ফর্মে লেখা পুরো এক বছরের খরচ ব্যাংকে দেখাতে হয়।
টাকার হিসাব ১ USD = ৳১২৪.০২ ধরে (open.er-api.com (২ নভেম্বর ২০২৬-এর রেট))। ব্যাংকের রেট আলাদা হতে পারে।
ভিসা: F-1 স্টুডেন্ট ভিসা
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে I-20 → SEVIS ফি $৩৫০ → DS-160 ফর্ম → ভিসা ফি $১৮৫ → ঢাকার মার্কিন দূতাবাসে ইন্টারভিউ। আইনে $২৫০ "ভিসা ইন্টিগ্রিটি ফি" যোগ হয়েছে, তবে সব জায়গায় এখনো আদায় শুরু হয়নি; দূতাবাসের পাতায় দেখে নিন। ইন্টারভিউয়ে পড়া শেষে দেশে ফেরার পরিকল্পনা আর টাকার উৎস পরিষ্কার বলতে হয়।
- পড়ার সময় কাজ
- পড়ার সময় ক্যাম্পাসে সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত।
- পড়া শেষে
- পড়া শেষে OPT-তে ১২ মাস কাজ; STEM বিষয়ে আরও ২৪ মাস।
- ভর্তির সময় (intake)
- ফল (আগস্ট-সেপ্টেম্বর), স্প্রিং (জানুয়ারি)
- স্কলারশিপ
- বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিট স্কলারশিপ; MS/PhD-তে টিচিং/রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ; Fulbright (মাস্টার্স, ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে)।