ক) দুটি সুসঙ্গত উৎস থেকে নিঃসৃত দুটি আলোক তরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে কোনো বিন্দুর আলোক তীব্রতা বৃদ্ধি পায় আবার কোনো বিন্দুর তীব্রতা হ্রাস পায়। এর ফলে কোনো তলে পর্যায়ক্রমে আলোকজ্জ্বল ও অন্ধকার অবস্থার সৃষ্টি হয়। কোনো স্থানে বিন্দু থেকে বিন্দুতে আলোর তীব্রতার এই পর্যায়ক্রমিক তারতম্যকে আলোর ব্যতিচার বলে।
খ) 30 cm
L
L′
P
Q
F
Q′
P′
এখানে P′Q′ হলো প্রতিবিম্ব যার অবস্থান ফোকাস বিন্দু এবং আলোক কেন্দ্রের মাঝে।
গ) দেওয়া আছে, লেন্সের উপাদানের প্রতিসরাংক, μ = 1.51
তলের বক্রতার ব্যাসার্ধ, r₁= − 20 cm, r₂ = + 30 cm
লেন্স হতে লক্ষ্য বস্তুর দূরত্ব, u = 30 cm
বের করতে হবে, প্রতিবিম্বের অবস্থান, v = ?
আকৃতি বা বিবর্ধন, m = ?
এবং প্রকৃতি = ?
লেন্সের ফোকাস দূরত্ব f হলে, 1/f = (μ − 1)\(1/r₁ − 1/r₂) )
= (1.51 − 1)\(−1/(20 cm) − 1/(30 cm)) ) = − 0.0425 cm⁻¹
আবার, 1/v + 1/u = 1/f বা, 1/v = 1/f −1/u = − 0.0425cm⁻¹ − 1/30cm
= − 0.07583 cm⁻¹
∴ v = (−0.07583 cm⁻¹) ⁻¹ = − 13.19 cm
সুতরাং প্রতিবিম্বের অবস্থান : লেন্সের যে পাশে লক্ষ্যবস্তু অবস্থিত সে পাশে লেন্স হতে 13.19cm দূরে।
রৈখিক বিবর্ধন, m = − v/u = − (−13.19 cm)/30cm = + 0.44
রৈখিক বিবর্ধনের সাংখ্যিক মান 1 অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর হওয়ায় প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর তুলনায় খর্বাকার। ইহাই আকৃতি। প্রতিবিম্বটি অবাস্তব। বিবর্ধন m ধনাত্মক পাওয়ায় প্রতিবিম্বটি সোজা।
∴ প্রতিবিম্বের প্রকৃতি : অবাস্তব ও সোজা।
ঘ) লেন্সের উপাদান ও জ্যামিতিক আকার-আকৃতি পরিবর্তন না করলে বায়ু মাধ্যম এর ফোকাস দূরত্ব ও ক্ষমতার কোনো পরিবর্তন ঘটবে না। তবে লেন্সটিকে অন্য কোনো মাধ্যমে রাখলে এর আপেক্ষিক প্রতিসরাংকের পরিবর্তন ঘটায় ক্ষমতারও পরিবর্তন ঘটবে। তখন উদ্দিষ্ট মাধ্যমের পরম প্রতিসরাংক μ′ হলে,
লেন্সের ক্ষমতা, p = 1/f = \(μ/(μ′) − 1) )\(1/r₁ − 1/r₂) )
বা, − 2D = \(1.51/(μ′) − 1) )\((−1)/20cm − 1/30cm) )
= \(1.51/μ − 1) )\(−1/12 cm⁻¹) ) ⁻
বা, \(1.51/(μ′) − 1) )\(−1/12 × 100m⁻¹) ) ⁻ = − 2m⁻¹
বা, 1.51/(μ′) − 1 = (−2m⁻¹)/(−1/12 × 100m⁻¹) ⁻ − × ⁻ = 0.24
বা, 1.51/(μ′) = 1 + 0.24
বা, μ′ = 1.51/1.24 = 1.218
সুতরাং লেন্সটিকে − 2D ক্ষমতা বিশিষ্ট অবতল লেন্সে পরিণত করার জন্য একে 1.218 পরম প্রতিসরণাঙ্ক বিশিষ্ট মাধ্যমে রাখতে হবে।