ক) ঘূর্ণায়মান নিউট্রন নক্ষত্রকে পালসার বলে।
খ) অর্ধ পরিবাহকে তাপ দিলে কিছু সংখ্যক সহযোজী অনুবদ্ধন ভেঙ্গে যায় এবং কিছু যোজন ইলেকট্রন পরিবহন ব্যান্ডে প্রবেশ করার মত যথেষ্ট শক্তি অর্জন করে এবং মুক্ত ইলেকট্রনে পরিণত হয় যা নির্দিষ্ট বিভব পার্থক্যে তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি করে। এজন্য অর্ধপরিবাহীকে তাপ দিলে পরিবাহীতা বৃদ্ধি পায়।
গ) প্রথম ক্ষেত্রে (সাধারণ নিঃসারক বিন্যাসে),
নিঃসারক প্রবাহ, IE = 1.75mA
পীঠ প্রবাহ, IB = 0.07 mA
বের করতে হবে, প্রবাহ গেইন, β = ?
আমরা জানি,
β = IC/IB = (IE – IB)/IB = IE/IB – 1= 1.75mA/0.07mA – 1 = 24 (Ans.)
ঘ) সাধারণ পীঠ বিন্যাসে,
নিঃসারক প্রবাহ, IE = 4 × 1.75m A = 7mA
এবং সংগ্রাহক প্রবাহ, IC = 4 (1.75mA – 0.07 mA)
= 4 × 1.68 mA = 6.72 A
∴ প্রবাহ বিবর্ধন গুণক, α = IC/IE = 6.72mA/7mA = 0.96
অর্থাৎ এক্ষেত্রে সংগ্রাহক প্রবাহ, নিঃসারক প্রবাহের তুলনায় কম। কিন্তু সাধারণ পীঠ বিন্যাসে নিঃসারক প্রবাহ হলো অন্তর্গামী (input) এবং সংগ্রাহক প্রবাহ হলো বহির্গামী (output), অর্থাৎ বহির্গামী প্রবাহ < অন্তর্গামী প্রবাহ, সুতরাং সাধারণ পীঠ বিন্যাস বিবর্ধক হিসেবে ব্যবহার্য নয়। কিন্তু সাধারণ নিঃসারক বিন্যাসে,
(বহিগট্টামী পণ্ঠবাহ)/(অস্বগট্টামী পণ্ঠবাহ) = IC/IB = β = 24
বা, বহির্গামী প্রবাহ >> অন্তর্গামী প্রবাহ
সুতরাং বিবর্ধক হিসেবে সাধারণ নিঃসারক বিন্যাসটি বেশি কার্যকর।