ক) কোনো ধাতুপৃষ্ঠের উপর উচ্চ কম্পাঙ্কের তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ আপতিত হলে তা হতে ইলেকট্রন নিঃসৃত হওয়ার মাধ্যমে তড়িৎপ্রবাহ সৃষ্টি হওয়ার ঘটনাকে আলোক তড়িৎক্রিয়া বলে।
খ) নিম্ন তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বা চতুর্যোজী অর্ধপরিবাহকের মুক্ত ইলেকট্রনগুলো বিভিন্ন হোলের মধ্যে বসে যাওয়ায় অর্ধপরিবাহক পদার্থের টুকরাটি আধানবাহক বিহীন হয়ে যায়। তখন এ টুকরার দুপ্রান্তে বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করা হলেও তড়িৎপ্রবাহ ঘটে না, অর্থাৎ টুকরাটি অন্তরকের ন্যায় আচরণ করে। একারণেই বলা হয়, নিম্ন তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহী অন্তরকের ন্যায় আচরণ করে।
গ) দেওয়া আছে,
পৃথিবী থেকে ঐ গ্যালাক্সির সরণের বেগ, v = 1.2 × 10⁷ ms–¹
হাবলের ধ্রুবক, Ho = 1.7 × 10–¹⁸ s–¹
বের করতে হবে, পৃথিবী হতে ঐ গ্যালাক্সির দূরত্ব, r = ?
আমরা জানি, v = rHo
∴ r = v/Ho = (1.2 × 10⁷ ms⁻¹)/(1.7 × 10⁻¹⁸ s⁻¹) = 7.06 × 10²⁴ m (Ans.)
ঘ) উদ্দীপকের গ্যালাক্সি হতে নিঃসৃত রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য
λ = 420 nm = 420 × 10–⁹ m
শূন্যস্থানে আলোর দ্রুতি, c = 3 × 10⁸ ms–¹
∴ নিঃসৃত রশ্মির কম্পাঙ্ক, f = c/λ = (3 × 10⁸ ms⁻¹)/(420 × 10⁻⁹ m)
= 7.143 × 10¹⁴ Hz
পর্যবেক্ষক হতে আলোর উৎসের সরে যাওয়ার বেগ, v = 1.2 × 10⁷ ms–¹
∴ এক্ষেত্রে ডপলার প্রভাব বিবেচনায়,
পৃথিবীর পর্যবেক্ষকের নিকট আলোর আপাত কম্পাঙ্ক,
f ′ = c/(c + v) f = (3 × 10⁸ ms⁻¹)/(3 × 10⁸ ms⁻¹ + 1.2 × 10⁷ ms⁻¹) × 7.143 × 10¹⁴ Hz
= 6.87 × 10¹⁴ Hz
∴ পৃথিবীর পর্যবেক্ষকের নিকট উক্ত আলোর আপাত তরঙ্গদৈর্ঘ্য,
λ′ = c/(f ′) = (3 × 10⁸ ms⁻¹)/(6.87 × 10¹⁴ Hz) = 4.367 × 10–⁷ m
= 436.7 × 10–⁹ m
= 436.7 nm
লক্ষ করি, 436.7 nm ≠ 420 nm (নিঃসৃত আলোর প্রকৃত তরঙ্গদৈর্ঘ্য)
সুতরাং, পৃথিবী থেকে উক্ত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য একই দেখাবে না।