ক) হরমোন হলো রাসায়নিক সমন্বক যা জীবদেহের বৃদ্ধি, বংশবিস্তার ইত্যাদির উপর সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে।
খ) অক্সিন মূলত উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে।
শাখাকলমে মূল উৎপাদনে সাহায্য করে।
পাতা ও ফলের অকালে ঝরে পড়া রোধ করে। এছাড়া উদ্ভিদের ফল ও বীজ গঠনে সহায়তা করে।
গ) উপরের চিত্রটি স্নায়ুকোষের যার অবস্থান গুরুমস্তিষ্কের বহিঃস্তরে।
গুরুমস্তিষ্কের বহিঃস্তর মূলত স্নায়ুকোষ নিয়ে গঠিত। এটি ধূসর বর্ণের হওয়ায় একে ধূসর পদার্থ বা গ্রেম্যাটার বলে। ধূসর পদার্থের কয়েকটি স্তরে বিশেষ আকারের স্নায়ুকোষ দেখা যায়। এই স্নায়ুকোষগুলো গুরুমস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশে গুচ্ছ বেঁধে স্নায়ুকেন্দ্র সৃষ্টি করে।
স্নায়ুকোষ বা নিউরন হলো স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক। আর মস্তিষ্ক হলো সমগ্র স্নায়ুতন্ত্রের চালক। মানুষের মস্তিষ্ক করোটির মধ্যে সুরক্ষিত থাকে। এর প্রধান অংশই হলো গুরুমস্তিষ্ক। কাজেই মানুষের গুরুমস্তিষ্কে উপরের কোষ অর্থাৎ স্নায়ুকোষের অবস্থান খুব গুরুত্বপূর্ণ।
ঘ) উদ্দীপকের চিত্রটি হলো নিউরন বা স্নায়ুকোষের। যা মানবদেহে উদ্দীপনা পরিবহনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রতিটি নিউরনের অ্যাক্সন কোষদেহ থেকে স্নায়ুস্পন্দন অপর কোনো স্নায়ুকোষে বা আজ্ঞাবাহী অঙ্গে বহন করে। কোষদেহের চারদিক থেকে উৎপন্ন ছোট ছোট ডেনড্রন পূর্ববর্তী নিউরন থেকে স্নায়ুতাড়না গ্রহণ করে এবং তা কোষদেহে বহন করে। একটি স্নায়ুকোষের অ্যাক্সন অন্য একটি স্নায়ুকোষের ডেনড্রনের সাথে মিলিত হওয়ার স্থানকে সিন্যাপস বলে। সিন্যাপস স্নায়ুতাড়নাকে এক নিউরন থেকে অপর একটি নিউরনে প্রবাহিত করে।
এভাবে নিউরন উদ্দীপনা বহন করার মাধ্যমে প্রাণী দেহের ভেতরে ও বাইরের পরিবেশের সাথে সংযোগ রক্ষা করে এবং প্রাণিদেহের বিভিন্ন অংশের মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করে।