ক) কোনো মৌলের পরমাণুতে প্রোটন ও নিউট্রনের সমষ্টিকে ভরসংখ্যা বলে।
খ) কোনো মৌলের পরমাণুতে বিদ্যমান প্রোটন সংখ্যাই ঐ মৌলের ইলেকট্রন সংখ্যা অর্থাৎ মৌলের পরমাণুতে যতগুলো প্রোটন থাকে ঠিক ততগুলো ইলেকট্রন থাকে, তাই প্রোটন ও ইলেকট্রনের আধানের পরিমাণ একই ধরা হয়।
গ) ছকে প্রদত্ত Al, N ও F এর প্রোটন সংখ্যা যথাক্রমে ১৩, ৭ ও ৯। যেহেতু প্রোটন সংখ্যা ইলেকট্রন সংখ্যার সমান তাই Al, N ও F এর পরমাণুতে যথাক্রমে ১৩টি, ৭টি ও ৯টি ইলেকট্রন বিদ্যমান। নিচে এদের ইলেকট্রন বিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলো :
Al (১৩) = ২, ৮, ৩
N (৭) = ২, ৫
F (৯) = ২, ৭

চিত্র: Al পরমাণু চিত্র: N পরমাণু চিত্র: F পরমাণু
ঘ) ইলেকট্রন বিন্যাসই পরমাণুর কাঠামো প্রদান করে যা উপরিউক্ত মৌলগুলোর আলোকে যাচাই করা যায়।
ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে একটি পরমাণুতে বিদ্যমান ইলেকট্রনসমূহের সজ্জা নির্ধারিত হয়। অর্থাৎ মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন সংখ্যা দ্বারা ঐ মৌলের গঠন বিন্যাস জানা যায়। এর ওপর নির্ভর করে মৌলে কতটি শক্তিস্তর থাকবে এবং কোন শক্তিস্তরে কতটি ইলেকট্রন থাকবে।
উপরিউক্ত মৌলগুলোর মধ্যে Al, N ও F এর ইলেকট্রন সংখ্যা যথাক্রমে ১৩, ৭ ও ৯। এদের ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ :
Al(১৩)→ ২, ৮, ৩
N(a) → ২, ৫
F (৯)→ ২, ৭
দেখা যাচ্ছে যে, A, N ও F এর যথাক্রমে ৩টি, ২টি ও ২টি শক্তিস্তর বিদ্যমান। কোন শক্তিস্তরে কতটি করে ইলেকট্রন থাকবে তাও জানা যায় ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে। এভাবে পরমাণুগুলোর গঠন কাঠামো নির্ধারিত হয়।
অতএব, ইলেকট্রন বিন্যাসই পরমাণুর কাঠামো প্রদান করে- উক্তটি উপরিউক্ত মৌলগুলোর আলোকে যথার্থ।