Online Model Test Online Model Test
৯০%

৪র্থ শ্রেণির প্রাথমিক বিজ্ঞান ২য় অধ্যায়: স্বাস্থ্য সুরক্ষা

৪র্থ শ্রেণি Chapter 2 · MCQ, CQ ও বোর্ড প্রশ্ন উত্তরসহ

সংক্ষিপ্ত

এই অধ্যায়ের কয়েকটি প্রশ্ন

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
১. ক) নিচের রোগগুলোকে বিস্তারের মাধ্যম অনুসারে শ্রেণিকরণ করি: আমাশয়, টাইফয়েড, সর্দি, ডেঙ্গু, প্লেগ, চোখ ওঠা। খ) ডায়রিয়া হলে স্যালাইন খেতে হয় কেন? গ) অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধের উপায়গুলো কী কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: ক) রোগগুলোকে বিস্তারের মাধ্যম অনুসারে শ্রেণিকরণ: • পানিবাহিত: আমাশয় ও টাইফয়েড। • বায়ুবাহিত: সর্দি। • প্রাণিবাহিত: ডেঙ্গু (মশা) ও প্লেগ (ইঁদুর)। • ছোঁয়াচে/অন্যান্য: চোখ ওঠা। খ) ডায়রিয়া হলে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি ও লবণ বের হয়ে যায়। শরীরের এই পানিশূন্যতা রোধ করতে এবং লবণের ঘাটতি পূরণ করে শরীরকে সুস্থ রাখতে স্যালাইন খেতে হয়। গ) অসংক্রামক রোগ (যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস) প্রতিরোধের প্রধান উপায়গুলো হলো: • প্রতিদিন নিয়মিত সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা। • নিয়মিত শরীরচর্চা, ব্যায়াম বা খেলাধুলা করা। • পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করা এবং সময়মতো ঘুমানো। • অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করা।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
২. ক) দুটি বায়ুবাহিত রোগের লক্ষণ লিখি। খ) সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়গুলো কী কী? গ) দৈনন্দিন জীবনে স্বাস্থ্য রক্ষার কোন কোন অভ্যাস অনুশীলন করি, তা লিখি।
উত্তর দেখুন
উত্তর: ক) দুটি বায়ুবাহিত রোগের লক্ষণ নিচে বর্ণনা করা হলো: • ইনফ্লুয়েঞ্জা: এটি একটি বায়ুবাহিত রোগ যার ফলে রোগীর শরীরে হঠাৎ অনেক বেশি জ্বর আসে। এছাড়া তীব্র মাথা ব্যথা হওয়া এবং শরীর ম্যাজম্যাজ করার মতো লক্ষণও দেখা দিতে পারে। • সর্দি ও কাশি: বায়ুর মাধ্যমে ছড়ানো এই রোগে নাক দিয়ে পানি পড়ে এবং বারবার হাঁচি হয়। এছাড়াও গলায় খুসখুসে ভাব বা কাশির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। খ) সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রধান উপায়গুলো নিচে বর্ণনা করা হলো: • নিরাপদ পানি ও খাবার: সব সময় নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পান করা এবং বাসি বা খোলা খাবার পরিহার করা। • হাত ধোয়া: খাওয়ার আগে এবং শৌচাগার ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে ভালোভাবে দুই হাত ধোয়া। • স্বাস্থ্যবিধি মানা: হাঁচি বা কাশির সময় রুমাল বা টিস্যু ব্যবহার করা এবং জনাকীর্ণ স্থানে মাস্ক পরা। • পরিচ্ছন্নতা: ঘরবাড়ি ও চারপাশ পরিষ্কার রাখা যাতে মশা বা মাছি জন্মাতে না পারে। • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরত্ব: সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র ব্যবহার না করা। গ) সুস্থ থাকার জন্য আমি প্রতিদিন নিম্নলিখিত স্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলো অনুশীলন করি: • প্রতিদিন নিয়ম করে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করি। • নিজেকে রোগমুক্ত রাখতে এবং শরীর সতেজ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলা করি। • ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে প্রতিদিন নিয়মিত গোসল করি এবং দাঁত ব্রাশ করি। • শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করি এবং সময়মতো পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করি। • খাওয়ার আগে এবং টয়লেট ব্যবহারের পর প্রতিবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস পালন করি।

এই অধ্যায়ের বাকি সব প্রশ্ন, পরীক্ষা আর প্রশ্নপত্র তৈরি অ্যাকাউন্ট খুললেই পাবেন।

⚑ এই প্রশ্নে কী সমস্যা?

একটা বেছে নিন, চাইলে দুই লাইন লিখুন। সাইট নিজে বইয়ের সাথে মিলিয়ে যাচাই করবে।

+ ঠিক উত্তরটা জানলে দিন (ঐচ্ছিক)

আপনার রিপোর্টে প্রশ্ন ঠিক হলে ২০ কয়েন উপহার। ফ্রি অ্যাকাউন্ট খুললে বা লগইন করলে কয়েন আপনার অ্যাকাউন্টে জমা হবে।