ক) NO₂ গ্যাসের বর্ণ বাদামি।
খ) চুনের পানির pH এর মান 7 থেকে কম নয় বেশি হবে।
যেসব দ্রবণ অম্ীয় তাদের pH-এর মান 7 অপেক্ষা কম এবং যেসব দ্রবণ ক্ষারীয় তাদের pH-এর মান 7 অপেক্ষা বেশি। চুন তথা ক্যালসিয়াম অক্সাইডের সাথে পানি মেশালে ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড উৎপন্ন হয়।
CaO(s) + H₂O(l) —→ Ca(OH)₂(aq)
যেহেতু ধাতুর হাইড্রক্সাইডসমূহ ক্ষার, সুতরাং চুনের পানি ক্ষারীয় হবে। তাই চুনের পানির pH-এর মান 7 থেকে বেশি হবে।
গ) X গ্যাসটির জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয়।
উদ্দীপক হতে দেখা যায় যে, NH₄Cl এবং CaO এর বিক্রিয়ায় X গ্যাসটি উৎপন্ন হয়। NH₄Cl এবং CaO এর বিক্রিয়ার সমীকরণটি নিম্নরূপ :
2NH₄Cl(aq) + CaO(s) —→ CaCl₂(aq) + NH₃(g) + H₂O(l)
সুতরাং, X দ্বারা NH₃ গ্যাসকে বোঝানো হয়েছে।
NH₃ পানিতে সম্পূর্ণরূপে দ্রবীভূত হয়। অর্থাৎ, এ গ্যাসের জলীয় দ্রবণ একটি ক্ষার। NH₃ গ্যাসের জলীয় দ্রবণে NH+ আয়ন এবং OH– আয়ন বিদ্যমান। NH₃ গ্যাসের জলীয় দ্রবণ ক্ষারধর্মী হওয়ায় অম্রে সাথে বিক্রিয়া করে এটি লবণ (NH₄Cl) এবং (H₂O) উৎপন্ন করে। বিক্রিয়াটি নিম্নরূপে দেখানো যেতে পারে :
NH+ (aq) + OH–(aq) + HCl(aq) —→ NH₄Cl(aq) + H₂O(l)
ঘ) 'গ' থেকে জানা যায় X দ্বারা NH₃ গ্যাসকে প্রকাশ করা হয়েছে এবং NH₃ গ্যাসটি একটি ক্ষারীয় গ্যাস। আয়রন লবণ যেমন : FeCl₃ এর জলীয় দ্রবণ X গ্যাসে তথা অ্যামোনিয়া গ্যাস (NH₃) এর সাথে বিক্রিয়া করে, NH₄Cl লবণ ও Fe(OH)₂ এর লালচে বাদামি অধঃক্ষেপ উৎপন্ন করে। কেননা জলীয় দ্রবণের সংস্পর্শে অ্যামোনিয়া গ্যাস অ্যামোনিয়াম আয়ন (NH+) এবং OH– আয়ন তৈরি করে। লঘু ক্ষারের সাথে ধাতব আয়নের বিক্রিয়ায় অধঃক্ষেপ উৎপন্ন হয়। অতিরিক্ত ক্ষার দ্রবণ যোগ করলে উক্ত অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়। বিক্রিয়াটি নিম্নোক্ত সমীকরণের সাহায্যে দেখানো যেতে পারে :
FeCl₃ + NH₃(g) + জলীয় দ্রবণ (H⁺ + OH–) —→ NH₄Cl(aq) + Fe(OH)₃(s)
লালচে বাদামি অধঃক্ষেপ।