ক) সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহের নাম বৃহস্পতি।
খ) গ্রহের নিজস্ব আলো ও উত্তাপ নেই বলে একে নক্ষত্র বলা যায় না।
নক্ষত্রগুলো প্রত্যেকে এক একটি জ্বলন্ত গ্যাসপিণ্ড বলে এদের সবারই আলো ও উত্তাপ আছে। কিন্তু গ্রহগুলোর নিজস্ব কোনো আলো ও উত্তাপ নেই, তাই গ্রহ নক্ষত্র নয়।
গ) চিত্রের 'C' চিহ্নিত গ্রহটি হলো পৃথিবী। এটি সৌরজগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রহ।
কেবল পৃথিবীতেই জীবনের জন্য উপযোগী উপকরণ ও পরিবেশ রয়েছে। গোলাকার পৃথিবীকে ঘিরে রয়েছে গ্যাসীয় বায়ুমণ্ডল। এই বায়ুমণ্ডলে প্রাণী ও উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড, নাইট্রোজেন সব গ্যাসই রয়েছে। তাছাড়া পৃথিবীতে সূর্যের আলো ও তাপ পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়, যা প্রাণিকূল ও উদ্ভিদকূলের জীবন ধারণ, খাদ্য উৎপাদন ও অন্যান্য জৈবনিক ক্রিয়াকলাপের জন্য অত্যাবশ্যক। কিন্তু সৌরজগতের অন্য কোনো গ্রহে জীবের জীবনধারণের সকল উপকরণ পর্যাপ্ত নেই।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, 'পৃথিবী সৌরজগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রহ।
ঘ) 'B' চিহ্নিত গ্রহটি হলো শুক্র ও 'C' চিহ্নিত গ্রহটি হলো পৃথিবী। নিচে শুক্র ও পৃথিবী গ্রহ দুটির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-
শুক্র হলো দূরত্বের দিক দিয়ে সূর্য থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে এবং পৃথিবী তৃতীয় অবস্থানে। সূর্যের আলো উভয় গ্রহের ওপরই পড়ে, তাই আমরা তাদের আলোকিত দেখি। শুক্র ৫৯ দিনে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। অপরদিকে পৃথিবী ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টায় একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। শুক্র গ্রহে কোনো প্রকার বায়ুমণ্ডল নেই এবং জীবের জীবনধারণ এখানে অসম্ভব।
অন্যদিকে পৃথিবী হলো সৌরজগতের একমাত্র গ্রহ, যাতে জীবের জন্য উপযোগী উপকরণ ও পরিবেশ রয়েছে। শুক্রের কোনো কৃত্রিম উপগ্রহ নেই, কিন্তু পৃথিবীর একটি কৃত্রিম উপগ্রহ রয়েছে, সেটি হলো চাঁদ।