ক) খাদ্য হলো এমন সব জৈব উপাদান যা জীবের দেহ গঠন, ক্ষয়পূরণ এবং শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
খ) যে পদ্ধতিতে জীব পরিবেশ থেকে খাদ্যদ্রব্য সংগ্রহ করে তা গ্রহণ করে নিজ দেহ গঠন ও ক্ষয়পূরণে কাজে লাগায় এবং নানারকম শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করে তাকে পুষ্টি বলে।
পুষ্টি একটি প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ায় খাদ্য উপাদান ভেঙে সরল উপাদানে পরিণত হয়। এসব, সরল উপাদান দেহ শোষণ করে নেয়।
গ) তালহা'র দেহে আমিষের ঘাটতি দেখা যাওয়ায় ডাক্তার তাকে উল্লিখিত খাবারগুলো খেতে বললেন।
তালহা কোয়াশিয়রকর রোগে আক্রান্ত। এ রোগে আমিষের অভাবে শিশুদের খাওয়ায় অরুচি হয়। ত্বক খসখসে ও রং নষ্ট হয়ে যায়। পেশি শীর্ণ ও দুর্বল হতে থাকে।
এ অবস্থা কাটিয়ে উঠতে হলে বেশি করে আমিষ জাতীয় খাবার খেতে হয়। ডিম ও দুধ আমিষ জাতীয় খাদ্যের উত্তম উৎস। এজন্য ডাক্তার তালহাকে ডিম ও দুধ বেশি করে খেতে বললেন।
ঘ) ডাক্তারের পরামর্শমতো খাবার না খেলে পরবর্তীতে তালহার আরও যেসব সমস্যায় হতে পারে সেগুলো হলো-
১. শরীর ক্রমশ শুকিয়ে অস্থি চর্মসার হয়ে পড়বে।
২. ঘন ঘন পেট খারাপ হতে থাকবে।
৩. হাত ও পা শীর্ণ হবে এবং শরীর ক্ষীণ হয়ে পাঁজরের হাড়গুলো স্পষ্ট দেখা যাবে।
৪. রক্তস্বল্পতার কারণে তালহা খুব দুর্বল হয়ে পড়বে।
৫. শরীরের ওজন হ্রাস পাবে এবং দেহে পানি আসবে।
এসব লক্ষণ কোয়াশিয়রকর ও মেরাসমাস রোগের। ডাক্তারের পরামর্শমতে তালহা ডিম ও দুধ বেশি করে না খেলে ক্রমশ এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়বে।