Online Model Test

ভাষা

দাম দেখাবে

পেমেন্ট সবসময় টাকায় হয়।

লগইন

৩. আমার শিক্ষায় ইন্টারনেট

নবম/দশম · তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

MCQ: ২৪৪টি সৃজনশীল: ৭টি সংক্ষিপ্ত: ২৮টি

এই অধ্যায়ের কয়েকটি প্রশ্ন

বহুনির্বাচনি (MCQ)
১. ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য অবশ্যই কোনটির প্রয়োজন?
ক) ডেস্কটপ পিসি খ) ট্যাবলেট পিসি গ) স্মার্টফোন ঘ) ইন্টারনেট সংযোগ
উত্তর দেখুন

সঠিক উত্তর: ঘ) ইন্টারনেট সংযোগ

বহুনির্বাচনি (MCQ)
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রধান উপকরণ কোনটি?
ক) কম্পিউটার খ) টেলিভিশন গ) ইন্টারনেট ঘ) স্মার্টফোন
উত্তর দেখুন

সঠিক উত্তর: ক) কম্পিউটার

বহুপদী সমাপ্তিসূচক
৩. ডিজিটাল কনটেন্ট হলো- i. ই-বুক, ব্লগপোস্ট ও ই নিবন্ধ ii. ইনফো গ্রাফিক্স ও এ্যানিমেটেড ছবি iii. অডিও ও ভিডিও স্ট্রিমিং নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii খ) i ও iii গ) ii ও iii ঘ) i, ii ও iii
উত্তর দেখুন

সঠিক উত্তর: ঘ) i, ii ও iii

বহুনির্বাচনি (MCQ)
৪. রিনি ও রনির বাবা তাদের জন্য একটি ট্যাবলেট পিসি কিনে দিলেন। রিনি নবম শ্রেণিতে ও রনি দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ে। ট্যাবলেট পিসিটির সর্বোত্তম ব্যবহার সম্ভব-
ক) গেমস খেলায় খ) গান শোনায় গ) হিসাবনিকাশে ঘ) লেখাপড়ার কাজে
উত্তর দেখুন

সঠিক উত্তর: ঘ) লেখাপড়ার কাজে

বহুপদী সমাপ্তিসূচক
৫. রিনি ও রনির বাবা তাদের জন্য একটি ট্যাবলেট পিসি কিনে দিলেন। রিনি নবম শ্রেণিতে ও রনি দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ে। রিনি ও রনির জন্য ট্যাবলেট পিসিটার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে- i. দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন ii. কম খরচে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে iii. ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বাড়াতে হবে নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii খ) i ও iii গ) ii ও iii ঘ) i, ii ও iii
উত্তর দেখুন

সঠিক উত্তর: ঘ) i, ii ও iii

সৃজনশীল (CQ)
৬. নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : রিফাত তার মামার সাথে একুশে বই মেলায় বেড়াতে এসেছে। সেখানে বিভিন্ন স্টল ঘুরে সে দেখতে পেল স্টলগুলোতে সাধারণ বই এর পাশাপাশি অনেক স্টলে ই-বুকও পাওয়া যাচ্ছে। ছোটদের জন্য ছড়াগুলো ভিডিও ও এনিমেশন আকারে তৈরি করা হয়েছে। রিফাতের মামা, রিফাতকে তিনটি ই-বুক কিনে দিলেন। রিফাত খুব খুশি হলো এবং ভাবল ই-বুকের ব্যাপারে সে পাঠ্যবইয়ে পড়েছে আজ নিজের জন্য কিনল। সে স্কুলে তার বন্ধুদের দেখাতে পারবে এবং এখন সে তার কম্পিউটার ব্যবহার করে বইগুলো পড়তে পারবে।
  1. ক) প্রচলিত রিডারের মধ্যে কোনটি সবচেয়ে জনপ্রিয়?১
  2. খ) ভিডিও স্ট্রিমিং বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।২
  3. গ) রিফাত মামার কাছ থেকে যে উপহারটি পেল তার প্রকারভেদ বর্ণনা কর।৩
  4. ঘ) রিফাতের উপহারে ব্যবহৃত প্রযুক্তি আমাদের দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আনতে সক্ষম -বিশেষণ কর।৪
উত্তর দেখুন
ক) প্রচলিত রিডারের মধ্যে অ্যামাজন ডটকমের কিন্ডল সবচেয়ে জনপ্রিয়।
খ) ভিডিও স্ট্রিমিং হচ্ছে ইন্টারনেটে কোনো ঘটনার ভিডিও সরাসরি প্রচারিত হওয়া। অর্থাৎ আমরা যখন কোনো ভিডিও ইন্টারনেট থেকে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে সেভ না করে সরাসরি দেখি সেই ভিডিওকে আমরা ভিডিও স্ট্রিমিং বলে থাকি। সাধারণত ভিডিও স্ট্রিমিং এর মাধ্যমে সরাসরি কোনো ঘটনার ভিডিও দেখার জন্য উচ্চ গতির ইন্টারনেট প্রয়োজন।
গ) রিফাত তার মামার কাছ থেকে তিনটি ই-বুক উপহার পেয়েছে। ই-বুক হলো মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক রূপ। এই ধরনের বইগুলো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয় বলে এতে শব্দ, এনিমেশন ইত্যাদি জুড়ে দেয়া যায়। তাই শিক্ষার্থীদের কাছে এই বইগুলো মুদ্রিত বইয়ের তুলনায় অনেক বেশি আকর্ষণীয়। রিফাত তার মামার কাছ থেকে এ ধরনের তিনটি আকর্ষণীয় বই পেয়ে তাই খুবই আনন্দিত। সাধারণভাবে এই বইগুলোকে নিম্নোক্ত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা যায়- ১. মুদ্রিত বইয়ের হুবহু প্রতিলিপি। এই ধরনের ই-বুকগুলো মূলত মুদ্রিত বই যেমন, তেমনটি হয়ে থাকে। সচরাচর পিডিএফ ফরম্যাটে প্রকাশিত হয়ে থাকে। ২. এই বইগুলো কেবল অনলাইনে তথা ইন্টারনেটে পড়া যায়। সচরাচর এইচটিএমএল এ প্রকাশিত এই বইগুলোকে বই এর ওয়েবসাইট বলা হয়। ৩. মুদ্রিত বই এর মতো কিন্তু কিছুটা বাড়তি সুবিধাসহ ই-বুক। এগুলো বই এর কনটেন্ট ছাড়াও পাঠকের নিজের নোট লেখা, শব্দের অর্থ জানা ইত্যাদি সুবিধা থাকে। এগুলোর বেশির ভাগই ই-পাব (E-PUB) ফরম্যাটে প্রকাশিত হয়। ৪. চৌকস ই-বুক। এই ধরনের বইয়ে লিখিত অংশ ছাড়াও অডিও/ভিডিও/এনিমেশন ইত্যাদি সংযুক্ত থাকে। এগুলোর কনটেন্ট মাল্টিমিডিয়াতে সমৃদ্ধ। ৫. ই-বুকের অ্যাপস। এক্ষেত্রে ই-বুকটি নিজেই একটি অ্যাপস আকারে প্রকাশিত হয়। অ্যাপস ডাউনলোড করে কম্পিউটার বা মোবাইলে পড়া যায়।
ঘ) রিফাত তার মামার সাথে একুশে বই মেলায় বেড়াতে গিয়ে মামার কাছ থেকে তিনটি ই-বুক উপহার পেয়েছে। এই ধরনের বই তৈরিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নানা ধরনের ছোট-বড় অসংখ্য সমস্যা বিদ্যমান। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ সমস্যাগুলোর অনেকটাই সমাধান করে শিক্ষাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে উঠবে। তখন প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারনেট সংযোগসহ কম্পিউটার থাকবে। তাদের সঙ্গে করে বই পুস্তক আনতে হবে না। তারা চাইলে পৃথিবীর অন্যান্য দেশে তাদের বয়সী শিক্ষার্থীরা কী শিখছে তা দেখতে ও শিখতে পারবে। ঘরে বসেই তারা যেকোনো দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে। অনলাইনে পরীক্ষা দিয়ে উচ্চ শিক্ষার সার্টিফিকেট অর্জন করতে পারবে। অর্থাৎ শিক্ষাব্যবস্থা কোনো দেশের ভৌগোলিক সীমার মধ্যে আবদ্ধ থাকবে না। একজন শিক্ষক তার জ্ঞানের আলো সারাবিশ্বের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারবে। শিক্ষার্থীরা তার যেকোনো বিষয় বোঝার ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের সাহায্যে বিভিন্ন গ্রুপ, ক্লাব, বিশেষজ্ঞের সাথে আলোচনার সুযোগ পাবে। তখন তাদের শিক্ষা গ্রহণের উৎস শুধু বই এবং শিক্ষকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তারা শিখবে সারাবিশ্বের অসংখ্য উপকরণ ব্যবহার করে। ফলে তাদের জ্ঞানের পরিধি অনেক বেড়ে যাবে। তাই আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় রিফাতের উপহারে ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি অর্থাৎ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সরকারসহ সবর্স্তরের মানুষকে উদ্যোগী হতে হবে।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
৭. আইসিটি কীভাবে আমাদের ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক হতে পারে? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর দেখুন
উত্তর: বর্তমানে চাকরির ক্ষেত্রে আইসিটির দক্ষতা প্রাথমিক যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গঠনে আইসিটিবিহীন একটি দিনও কল্পনা করা সম্ভব নয়। আইসিটির সর্বমুখী ব্যবহার এত বেশি যে ক্যারিয়ার গঠনে আইসিটিকে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না। ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে তাই আইসিটিতে দক্ষতা উন্নয়নের জন্য যথেষ্ট সচেতন হতে হবে। ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে আইসিটি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, সাধারণ অফিস সফটওয়্যারের ব্যবহার, ইন্টারনেট, ই-মেইল, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমসহ প্রায় সবকিছুতেই প্রাথমিক দক্ষতা না থাকলে কোথাও চাকরি পাওয়া সম্ভব নয়। অন্যদিকে প্রোগ্রামিং, ওয়েবসাইট বিনির্মাণ, কম্পিউটার নিরাপত্তা ইত্যাদি বিশেষায়িত কাজের চাহিদাও দিনে দিনে বাড়ছে। কম্পিউটার সায়েন্স, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, অফিস অটোমেশন সিস্টেম ডিজাইন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স, রোবোটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, মোবাইল কমিউনিকেশন, ডেটা কমিউনিকেশন এমন হাজারটি কাজ রয়েছে যা আইসিটি নির্ভরশীল। বর্তমানে চাকরিক্ষেত্রে ও দৈনন্দিন জীবনে প্রোগ্রামিং এর চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে আমাদের দেশের প্রোগ্রামাররা দেশে বসেই গুগল, মাইক্রোসফট, ইনটেল, ফেসবুকের মতো বিশ্ববিখ্যাত কোম্পানিগুলোতে কাজ করতে পারছেন। এছাড়া ভালো প্রোগ্রামাররা ইচ্ছে করলে নিজেরাই সফটওয়্যার ফার্ম খুলতে পারেন। ক্যারিয়ার হিসেবে প্রোগ্রামিং এর গুরুত্ব অনেক। প্রতিবছরই বাংলাদেশের অনেকেই নিজের মেধাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে মাইক্রোসফট, গুগল, ফেসবুকের মতো বিখ্যাত কোম্পানিগুলোতে নিজের শক্ত অবস্থান করে নিবেন। আইসিটিতে ক্যারিয়ার গড়ায় রয়েছে আরও সুবিধা। এখানে কোনো অফিস না নিয়েই ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে আমাদের দেশের প্রোগ্রামারসহ অনেক আইসিটি কর্মী ঘরে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজ করছে আমেরিকা, কানাডা, ব্রিটেনের মতো দেশগুলোর বড় বড় কোম্পানিতে। এছাড়াও আইসিটিতে রয়েছে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এ কাজ করার সুযোগ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে দক্ষ লোকের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। পরবর্তী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে এর চাহিদা দ্বিগুণ হবে এটাই স্বাভাবিক। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের বেশ কিছু সফটওয়্যার কোম্পানি তৈরি হয়েছে যারা বাংলাদেশে তৈরি সফটওয়্যার, মোবাইল অ্যাপস পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করছে। ভবিষ্যতে এই সেক্টরে আরও অনেক দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন হবে। কাজেই ক্যারিয়ার হিসেবে আইসিটির সম্ভাবনা অনেক উজ্জ্বল।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
৮. 'বর্তমানে ইন্টারনেটের ব্যবহার ছাড়া লেখাপড়া করা কঠিন'- যুক্তিসহ উপস্থাপন কর।
উত্তর দেখুন
উত্তর: বর্তমানে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বেশিরভাগ ক্ষেত্রই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রধান উপকরণ কম্পিউটার এবং এই কম্পিউটারের সাথে ইন্টারনেট সংযোগ শিক্ষাক্ষেত্রে এনে দিয়েছে এক বিশাল পরিবর্তন। এ মুহূর্তে এমন কোনো শিক্ষণীয় বিষয় নেই যা ইন্টারনেটে পাওয়া যায় না। কোনো ছাত্রছাত্রী পড়ালেখা করতে করতে কোনো একটি বিষয় বুঝতে না পারলে সে যদি ইন্টারনেটে সেটি অনুসন্ধান করে মোটামুটি নিশ্চিতভাবে বলা যায়, সে তার উত্তরটি কোনো না কোনোভাবে পেয়ে যাবে। একজন ছাত্র বা ছাত্রী যদি কোনো নির্দিষ্ট বিষয় শিখতে চায় কিংবা জানতে চায় সে ইন্টারনেটে খুঁজে বের করে নিতে পারবে। এজন্য ইংরেজি ভাষায় অত্যন্ত দক্ষ ইঞ্জিনও আমাদের দেশের প্রযুক্তিবিদরা তৈরি করেছেন। ইন্টারনেটে গণিতের অত্যন্ত চমৎকার সাইট রয়েছে যেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হাতে-কলমে দেখার জন্য সাইট রয়েছে। উৎসাহী মানুষ নানা বিষয়ে গ্রুপ তৈরি করে রেখেছেন, তাদের কাছে যেকোনো প্রশ্ন করা হলে তারা উত্তর দেন। বাংলায় শিক্ষা দেয়ার জন্যও ইন্টারনেটে অত্যন্ত চমৎকার সব সাইট রয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে ইন্টারনেট শব্দটি জুড়ে দেওয়ায় ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার ক্ষেত্রে একটি বিশাল জগৎ আবিষ্কৃত হয়েছে। ইন্টারনেট এক্ষেত্রে শিক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। ইন্টারনেটে বর্তমানে শিক্ষার সব ধরনের তথ্যের পাশাপাশি ই-বুক আকারে সকল পাঠ্যবইও পাওয়া যায়। ছাত্রছাত্রীরা কোনো বই হারিয়ে ফেললে বা লেখাপড়ার সুবিধার জন্য নতুন বই প্রয়োজন হলে বাজার থেকে টাকা দিয়ে না কিনে তারা এই বইগুলো ইন্টারনেট থেকে সরাসরি নামিয়ে নিতে পারে। বর্তমানে পাঠ্যপুস্তকে যেটুকু থাকে সেটুকুতে ছাত্রছাত্রীরা সন্তুষ্ট থাকে না। তারা আরও বেশি জানতে চায়। সেজন্য সব স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা তাদের পছন্দের বিষয় বিজ্ঞান, গণিত কিংবা সাহিত্যের ক্লাব তৈরি করে। একসময় এ ধরনের ক্লাবে শুধু শারীরিকভাবে উপস্থিত ছেলেমেয়েরাই অংশ নিতে পারত। ইন্টারনেট হওয়ার কারণে বিষয়টি এখন উন্মুক্ত হয়ে গেছে। এখন সারাদেশের এমনকি সারা পৃথিবীর ছাত্রছাত্রীরা এই ক্লাবগুলোতে অংশ নিতে পারে। ইন্টারনেটে শিক্ষার একটি বিশাল জগৎ এখনও অনাবিষ্কৃত রয়ে গেছে। যখন আমরা সেটি আবিষ্কার করতে শুরু করব তখন সম্পূর্ণ নতুন একটি জগৎ আমাদের সামনে হাজির হবে। ইন্টারনেট শিক্ষার ক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীদের একটি বড় সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। এই সুযোগ সে কতটুকু কাজে লাগাতে পারবে সেটা ছাত্রছাত্রীর ওপর নির্ভর করে। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটেও উপরের আলোচনা থেকে এটা বলা চলে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহার ছাড়া পড়ালেখা করা কঠিন।

এই অধ্যায়ের বাকি ২৭১টি প্রশ্ন, পরীক্ষা আর প্রশ্নপত্র তৈরি অ্যাকাউন্ট খুললেই পাবেন।